‘অদিতির কোনো অসম্মান হোক, সেটা আমি চাই না’

প্রথম সময় ডেস্কঃ

টিভি পর্দার ব্যস্ত ও জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বের সাবেক স্ত্রী নাজিয়া হাসান অদিতিকে নিয়ে এক অসাধু ব্যক্তির সম্পর্কের জেরে বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়েছে বলে বেশ কিছু নিউজ পোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হয়। আর বিষয়টি নজরে আসতেই চটেছেন অপূর্ব। এমন বানোয়াট খবর প্রকাশের প্রেক্ষিতে বেশ বিব্রত হন অপূর্ব ও অদিতি। ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে অনলাইন পোর্টালগুলোর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন অপূর্ব। শনিবার দুপুরে উত্তরা পূর্ব থানায় অভিযোগ দায়ের করে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন এই অভিনেতা।

অপূর্ব  বলেন, ‘কোনো তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই কতিপয় অনলাইন পোর্টাল এবং ইউটিউব চ্যানেল সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে আমার বিচ্ছেদ নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে, যা আমার ও অদিতির জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর। যাঁরা এসব গুজব রটাচ্ছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ করেছি। এখন তারাই বিষয়টি দেখবে।’

এখন সাধারণ ডায়েরি করলেও শিগগিরই এই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করবেন অভিনেতা অপূর্ব। মামলার প্রস্তুতি হিসেবে প্রকাশিত খবরগুলো সংগ্রহ করেছেন তিনি। জড়ো করেছেন প্রকাশিত বেশ কিছু ভিডিও। যে খবরগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে, সেগুলোকেও নথিভুক্ত করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আইনের প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল একজন ব্যক্তি। অনলাইনে মিথ্যা, অপ্রাসঙ্গিক ও অনভিপ্রেত সংবাদ প্রকাশের জন্য আমি সাইবার আইনের আওতায় ব্যবস্থা নিয়েছি। এরকম ভুঁইফোড় কিছু অনলাইন তাঁদের মনগড়া মত করে যা ইচ্ছে লিখে মানুষকে হয়রানি করবে, সেটা কখনও মেনে নেওয়া যায়না। এগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। শুধু আমি কিংবা অদিতি-ই না, আরও অনেক তারকা থেকে শুরু করে অনেকেই এরকম হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং হচ্ছেন। সবার উচিত এগুলোর বিরুদ্ধে সচেতন হওয়া এবং ব্যবস্থা নেওয়া।’

একটা কথা স্পষ্ট বলে দিতে চাই যে, ‘অদিতির সঙ্গে সাংসারিক জীবনে না থাকলেও সে আমার সন্তানের মা। অদিতির কোনো অসম্মান হোক, সেটা আমি চাই না। যতদিন আছি ততদিন তাকে পূর্ণ সম্মান দিয়ে যাবো।’

২০১১ সালের ১৪ জুলাই নাজিয়া হাসান অদিতিকে বিয়ে করেন অপূর্ব। ২০১৪ সালের জুন মাসে তাঁদের কোলজুড়ে আসে পুত্র সন্তান; জায়ান ফারুক আয়াশ। চলতি বছরের মে মাসে এই দম্পতির ৯ বছরের সংসারের বিচ্ছেদ ঘটে।

Advertisements

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *