মসজিদে বিস্ফোরণঃ চিকিৎসাধীন পাঁচ জনের অবস্থা অপরিবর্তিত

প্রথম সময় ডেস্কঃ

নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৫ জনের শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তারা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন। সবাই আইসিইউতে আছেন। তারা কেউই শঙ্কামুক্ত নন। যুগান্তরকে এসব তথ্য জানিয়েছেন বার্ন ইন্সটিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।

চিকিৎসাধীন ৫ জন হলেন- মো. ফরিদ (৫৫), মো. কেনান (২৪), শাহাদাত হোসেন সিফাত (১৮), আবদুল আজিজ (৪০) এবং আমজাদ (৩৯)। ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার আসিয়ান ডাঙ্গরী গ্রামের মৃত আবদুর রহমানের ছেলে মো. ফরিদের (৫৫) শরীরের ৫০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। আইসিইউ’র ২০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন তিনি। গ্রামে কৃষিকাজ করতেন দুই ছেলে ও দুই মেয়ের এই জনক। তার স্ত্রী রীনা বলেন, ঘটনার আগের দিন বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জের তল্লায় মেয়ে খাদিজার বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি।

পটুয়াখালীর চুন্নু মিয়ার ছেলে মো. কেনান (২৪) গার্মেন্টকর্মী। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ। পরিবার নিয়ে থাকতেন নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লায়। রাফি নামে তার দুই বছরের এক ছেলে রয়েছে। নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লার বাসিন্দা শাহাদাত হোসেন সিফাতের (১৮) শরীরের ২২ শতাংশ পুড়ে গেছে। স্থানীয় স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে কলেজে ভর্তির চেষ্টা করছিলেন তিনি। তার বাবা মো. স্বপন শেখ ডেকোরেটরের কাজ করেন। তিন ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয় তিনি।

এছাড়া দগ্ধদের মধ্যে ফতুল্লার পশ্চিম তল্লার মনু মিয়ার ছেলে আবদুল আজিজের (৪০) শরীরের ৪৬ শতাংশ পুড়ে গেছে। তিনি পেশায় লন্ড্রি ব্যবসায়ী। তার এক ছেলে এক মেয়ে। ছেলে আবু সাঈদ (১৬) ও মেয়ে সামিয়া (১০) দুজনই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আবদুল আহাদের ছেলে আমজাদ হোসেনের (৩৯) শরীরের ২৫ শতাংশ পুড়ে গেছে। তিনি একটি পোশাক কারখানার গাড়িচালক। তিনি আইসিইউতে ১৯ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন। আমজাদের ভাই মোহন মিয়া জানান, নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা এলাকায় থাকতেন আমজাদ হোসেন। রাইসা (৫) নামে তার এক মেয়ে রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *