খুলনা: জেলা যুবলীগে সাধারণ সম্পাদকে প্রার্থী হতে চান জামিল খান!

বিশেষ প্রতিনিধি: খুলনা জেলা আওয়ামী যুবলীগের দায়িত্ব পেলেও আছি, না পেলেও দলে আছি, বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসি, দলের নেত্রী শেখ হাসিনা চলার পথে আমার আদর্শ, সেভাবেই পথ চলছি। এই পথের সময় এখন ১৭ বছর চলছে।রাজনীতিতে এটি দীর্ঘ সময়, যা যুবলীগের সঙ্গেই কেটেছে। এটি আমার জীবনের অবিচ্ছেদ্য প্রেম, যা কোনও সময়ের জন্য ভোলার নয়।

তিনি বলেন, এখনের রাজনীতি নেতা কেন্দ্রিক, গ্রুপ ভিত্তিক। সেটা মেনে নিয়েই সেইভাবেই রাজনিতি করছি। কথাগুলি এক নিশ্বাসেই বললেন। খুলনা জেলা যুবলীগে সাধারন সম্পাদক পদে অন্যতম প্রার্থী এবার জামিল খান। অন লাইন নিউজ পোর্টাল প্রথম সময়ের সঙ্গে সেল ফোনে আলাপচারিতায় সম্মেলন, নিজের প্রার্থিতা নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

জামিল খান, রুপসার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। ব্যক্তিগতভাবে প্রচন্ড ধর্মভীরু, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। রাজনীতির পাশাপাশি ঠিকাদারি করেন। আপাদমস্তক একজন রাজনীতিক, দক্ষ সংগঠক, এক কথায় ফুল টাইমার রাজনীতিক ।তারে নিয়ে কোনও বিতর্কে নেই। ক্লিন ইমেজ আজও বিদ্যমান।

গেলো করোনায় জীবনবাজি রেখে তৎকালীন জেলা কমিটির সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামালের নেতৃত্বে জেলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে মানব সেবায় সাধ্যের মধ্যে ছুটে বেড়িয়েছেন, ত্রান সামগ্রী বিলিয়েছেন। ২০০৩ থেকে দলে সক্রিয় জামিল বর্তমান কমিটিতে তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক। দীর্ঘদিন ধরেই এই কমিটি বিরাজমান।জামিল জানান, এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সম্মেলন না হওয়ায় নেতৃত্বে যেমন জ্যাম লেগেছে তেমনি সাধারণ নেতা- কর্মীদেরও মধ্যেও বড় ধরনের হতাশা বিরাজ করতেছে।

ব্যক্তিগতভাবে জামিল, মুল দলের সভাপতি শেখ হারুন, সাবেক সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান জামালের অনুসারী। রাজপথ, দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে সব সময়েই সক্রিয়। মিছিল, সমাবেশের পরিচিত মুখ। কর্মী বান্ধব নেতা হিসাবে দলের সব মহলেই সমাদৃত।
সদা হাসিখুশি, বিনয়ী, নিরহংকার, সদালাপী জামিল অনেকটা জোর দিয়েই বললেন, পরিবার যদি প্রথম ভালবাসা হয় তবে রাজনীতি আমার দ্বিতীয় প্রেম। রাজনীতির বাইরে ব্যক্তি জামিলের মৃত্যু ঘটেছে, সেই জামিলের কোনও পরিচয় এখন আর নেই। আলাপকালে জামিল বলেন, আমি আমরা সাবেক ছাত্রনেতা জামালের নেতৃত্বে রাজনীতি করছি। কোনও ধান্দাবাজির রাজনীতিতে আমরা নেই। স্বচ্ছতার সাথে আমরা রাজনীতি করি, করে আসছি। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজিতে নেই। সারা জেলাতে আমাদের কোনও মিনিমাম বদনাম দিতে পারবে না।
মুল দলের সিনিয়র নেতারা, সাবেক ছাত্রনেতা জামাল, খুলনা যুব সমাজের অহংকার শেখ সোহেলের প্রতি আস্থা রেখে জামিল জানান, তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন, অচিরেই খুলনাতে জেলা যুবলীগে একটি ভালো কমিটি দেবেন। তিনি বলেন, আমরাও অপেক্ষায় আছি কমিটির জন্য। করোনার মতো মহা দুর্যোগ গেলো, কেন্দ্রেও পুরনাংগ কমিটি এখনও হয়নি, শুনেছি, সেখানে পুরনাংগ কমিটি হলেই আমাদের খুলনা জেলা শাখার আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হবে।

সম্ভাব্য নেতৃত্বে সাধারন সম্পাদক পদে এবার প্রার্থী হতে চান জামিল, তারপরেও বিনয়ের সাথে জামিল জানান, দলে আমার অভিভাবকরা আছেন, তারা আমায় গত ১৭ বছর ধরে দেখেছেন, আমি দলে সক্রিয় ছিলাম কিনা ? দলের কোনও কর্মসূচী মিস করেছি কিনা ? এক কথায় আমার আমলনামা তাদের হাতেই আছে, তারাই ভাল জানেন, বুঝেন। তাদের দিক নির্দেশনার বাইরে মুহূর্তের জন্য যাইনি। নিশ্চয়ই তারা সব কিছু যাচাই বাছাই করেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *