ঢাকা: শোকার্ত বঙ্গবন্ধু পরিবারের পাশে খুলনার নেতাকর্মীরা

বিশেষ প্রতিনিধি:বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ভাই শহীদ শেখ আবু নাসেরের সহধর্মিনী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচী রাজিয়া নাসেরের মৃত্যুতে খুলনা আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা যে যেভাবে পেরেছেন চলে এসেছেন রাজধানী ঢাকাতে। জানা গেছে, অনেকেই ঢাকা পৌঁছে কোনও হোটেলে বা আত্মীয় স্বজনের বাসা বাড়িতে না উঠে সরাসরি বনানি গোরস্থানে কিংবা বারিধারাতে বঙ্গবন্ধুর ভ্রাতুস্পুত্র শেখ হেলাল এমপি, আরেক সন্তান শেখ জুয়েল এমপি, শেখ সোহেলের অফিসে, বাসাতে হাজির হয়ে যান। শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের পাশে সমবেদনা জানান।

সোমবার রাতে রাজিয়া নাসির মারা গেলে রাত ৩ টা পর্যন্ত অসুস্থ শরীর নিয়ে শ্রম প্রতি মন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, খুলনা- ৬ আসনের এমপি আখতারুজ্জামান বাবু, সাবেক ছাত্র নেতা অসিত বরন বিশ্বাস, মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি শেখ শাহজালাল হোসেন সুজন প্রমুখ হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন। ঠিক একইভাবে খুলনা চেম্বার সভাপতি কাজি আমিনুল হক আমিন অন্যদের নিয়ে রাজিয়া নাসেরের মৃত্যু সংবাদ শুনেই মাঝরাতে চেম্বার সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাসকে নিয়ে সড়কপথেই ঢাকা চলে এসেছেন। খুলনা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আলহাজ্জ মিজানুর রহমান মিজান, প্যানেল মেয়র আলি আকবর টিপু, যুবলীগ নেতা মনিরুজ্জামান সাগর বিমান পথে ঢাকা এসে সরাসরি শেখ হেলালের বারিধারার বাসাতে চলে যান।

এর বাইরেও বনানীর জানাজাতে উপস্থিত ছিলেন, খুলনার মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপি, আব্দুস সালাম মুর্শিদী এমপি, মহানগর সাধারন সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, মহানগর আওয়ামীলীগ নেতা কাজি এনায়েত হোসেন, সাবেক পিপি অ্যাড কাজি আবু শাহিন, সাবেক যুব নেতা অ্যাড আনিসুর রহমান পপলু, কাউন্সিলর হাফিজুর রহমান হাফিজ, জেড এ মাহমুদ ডন, হাফেজ মো. শামীম, শেখ সৈয়দ আলী, এস এম খালেদিন রশিদি সুকর্ণ, একেএম সানাউল্লাহ নান্নু, শেখ আবিদ হোসেন, মনিরুল ইসলাম বাশার, তসলিম আহমেদ আশা, যুবলীগ নেতা মো. সফিকুর রহমান পলাশ, শেখ মো. আবু হানিফ, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, চৌধুরী রায়হান ফরিদ, মোহাম্মদ নাসিম, পারভেজ হাওলাদার, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, শেখ আবিদ উল্লাহ, হাসান ইফতেখার চালু, কাজী কামাল হোসেন, নজরুল ইসলাম দুলু, কামরুল ইসলাম, অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, মো. মাসুম উর রশীদ সহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মী।খুলনার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোয়াজ্জেম রশিদি দোজা, ময়নুল ইসলাম ময়না, তারিকুল ইসলাম তারেক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আলাপকালে খুলনা জেলা আওয়ামীলীগ নেতা অসিত বরন বিশ্বাস প্রথম সময়কে জানান, বঙ্গবন্ধু পরিবার ও খুলনা আওয়ামীলীগ এক আত্মার বন্ধনে আবদ্ধ। চাচী ছিলেন আমাদের কাছে বট বৃক্ষের মতোই অভিভাবক। হেলাল ভাই, জুয়েল ভাই কিংবা সোহেল, রুবেল, বাবু যেমন মা হারিয়েছেন তেমনি আমরাও আমাদের নেপথ্যের অভিভাবককে হারিয়েছি। কাউকে বলা লাগে নি ঢাকা আসার জন্য, যে যার তাগিদেই, বঙ্গবন্ধু পরিবারের প্রতি ভালবাসার টানেই ঢাকা চলে এসেছেন। তাদের মতো আমরাও শোকাহত, স্তব্ধ, মর্মাহত, নির্বাক।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, রাজিয়া খাতুনের এই জানাজাতে খুলনার এক সিনিয়র নেতা বা তার অনুসারীদের দেখা যায় নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *