ফেনীতে মেয়রসহ ৩৪ কাউন্সিলর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত

অনলাইন ডেস্কঃ

চলমান পৌর নির্বাচনে ফেনী জেলায় এক মেয়র, সাধারণ ওয়ার্ডে ২৩ ও সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১১ জনসহ মোট ৩৪ কাউন্সিলর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হয়েছে। নির্বাচিত সকলেই আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ছিলেন। এসব আসনে ছিল না বিএনপির প্রার্থীও।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি পরশুরাম পৌরসভা নির্বাচনে ১৭ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেল ও ১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল মান্নান, ২ নম্বর ওয়ার্ডে খুরশিদ আলম, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আবু তাহের (বাঘা মেম্বার), ৪ নম্বর ওয়ার্ডে আবদুল মান্নান, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে এনামুল হক এনাম, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কামাল উদ্দিন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডে নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুমন, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে রাসুল আহাম্মেদ মজুমদার স্বপন, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আবু শাহাদাত চৌধুরী লিটন, সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে আফরোজা আক্তার; ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে রাহেলা আক্তার; ৭, ৮ ও ৯ ওয়ার্ডে হালিমা আক্তার একক প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। নির্ধারিত সময়ে জমাকৃত মনোনয়নপত্রে কোনো পদেই একাধিক প্রার্থী ছিল না বিদায় তাদেরকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত ঘোষণা করে কমিশন।

এর আগে ফেনী পৌরসভা নির্বাচনে ৬টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের মধ্যে পাঁচ জন ও ১৮টি সাধারণ ওয়ার্ডের মধ্যে ১০টি ওয়ার্ডে একক কাউন্সিলর প্রার্থী থাকায় মোট ১৫ জন কাউন্সিলর প্রার্থীকে বিনা ভোটে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। এরা হচ্ছেন সংরক্ষিত ১, ২ ও ৩ নং ওয়ার্ডে হাসিনা আক্তার; ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডে জেসমিন আক্তার; ৭, ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে সেলিনা চৌধুরী; ১০, ১১ ও ১২ নং ওয়ার্ডে ফেরদৌস আরা; ১৬, ১৭ ও ১৮ নং ওয়ার্ডে ফেরদৌস আরা বেগম ও সাধারণ ১ নং ওয়ার্ডে আশরাফুল আলম গিটার, ২ নং ওয়ার্ডে লুৎফুর রহমান খোকন হাজারী, ৩ নং ওয়ার্ডে কোহিনুর আলম, ৪ নং ওয়ার্ডে সাহাব উদ্দিন তসলিম, ৫ নং ওয়ার্ডে জয়নাল আবদীন লিটন, ৬ নং ওয়ার্ডে আবুল কালাম, ৯ নং ওয়ার্ডে সাইফুল ইসলাম তানজিম, ১১ নং ওয়ার্ডে গোলাম মেহেদী আলম চৌধুরী, ১৩ নং ওয়ার্ডে নাছির উদ্দিন খান ও ১৬ নং ওয়ার্ডে আমির হোসেন বাহারকে নির্বাচিত ঘোষণা করে কমিশন।

এছাড়া দাগনভূইঞা পৌরসভা নির্বাচনে সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩ জন এবং সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৪ জনসহ মোট ৭ জন বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

২০১৫ সালের পৌর নির্বাচনেও মেয়র ও কাউন্সিল পদে একক প্রার্থী থাকায় সকল পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছিলেন।

জেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহার অভিযোগ করে জানিয়েছেন, হুমকি-ধমকি দিয়ে বিএনপির প্রার্থীদের এলাকা ছাড়া করা হয়েছে। ফলে ইচ্ছা থাকা সত্বেও অনেকেই মনোনয়ন ফরম জমা দিতে পারেনি।

এ ব্যপারে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুর হোসেন বিএনপির অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার বাহিরে। নির্বাচনে অংশ নিলে হেরে যাওয়ায় ভয়ে বিএনপির প্রার্থী হওয়ার মতো কোন নেতা খুঁজে পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *