শেখ হাসিনার নির্দেশনা অমান্যকারীদের দল থেকে বহিস্কার করতে হবে

অনলাইন ডেস্কঃ

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মানিত সদস্য ও খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল বলেছেন, ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত ও নির্বাচনে বিজয় অর্জন করতে হলে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। কোন অনুপ্রবেশকারীকে দলে ঠাঁই দেয়া যাবে না। দল শক্তিশালী হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী হবে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা যারা অমান্য করেছে তাদের দল থেকে বহিস্কার করতে হবে। সংগঠনে কোন অবাধ্য উচ্ছৃঙ্খলদের রাখা হবে না। তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়ে দলকে পরিশুদ্ধ করতে হবে। তিনি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটিতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের স্থান করে দেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।

মঙ্গলবার বাদ মাগরিব দলীয় কার্যালয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, বেগ লিয়াকত আলী, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, শেখ সৈয়দ আলী, একেএম সানাউল্লাহ নান্নু, শেখ আনিছুর রহমান, এ্যাড. মেমরী সুফিয়া রহমান শুনু, মো. মোর্শেদ আহমেদ মনি।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান, আওয়ামী লীগ নেতা এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার, শেখ হায়দার আলী, কাজী এনায়েত হোসেন, মল্লিক আবিদ হোসেন কবির, বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ শহিদুল ইসলাম, বীরমুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বীরমুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. রজব আলী সরদার, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, আবুল কামাল আজাদ, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, মো. আশরাফুল ইসলাম, শেখ মো. ফারুক আহমেদ, বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যা. আলমগীর কবির, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, প্যানেল মেয়র আলী আকবর টিপু, মো. শাহাজাদা, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, বীরমুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস আলম চান ফারাজী, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, এ্যাড. অলোকা নন্দা দাস, মুক্তিযোদ্ধা মাকসুদ আলম খাজা, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, শেখ ইউনুস আলী, কামরুল ইসলাম বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মদ, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, এ্যাড. সরদার আনিসুর রহমান পপলু, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, কাউন্সিলর শেখ মোশাররফ হোসেন, শেখ মোশাররফ হোসেন, অধ্যা. রুনুর ইকবাল, মাহাবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, শেখ আবিদ হোসেন, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম বাশার, তসলিম আহমেদ আশা, শহীদুল ইসলাম বন্দ, কাজী জাহিদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেন, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, কাউন্সিলর আনিছুর রহমান বিশ্বাষ, কাউন্সিলর শেখ গাউসুল আযম, মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, মনিরুজ্জামান সাগর, মনিরুজ্জামান খান খোকন, এস এম আকিল উদ্দিন, এ্যাড. একেএম শাহজাহান কচি, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, মো. মোতালেব মিয়া, রনজিত কুমার ঘোষ, অধ্যা. আবুল মুকুল, মো. সফিকুর রহমান পলাশ, মীর বরকত আলী, এম এ নাসিম, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, ইঞ্জি: আব্দুল জববার, কাউন্সিলর শেখ মোহাম্মদ আলী, কাউন্সিলর শেখ শামসুদ্দিন আহম্মেদ প্রিন্স, কাউন্সিলর মো. ডালিম হাওলাদার, কাউন্সিলর এমডি মাহফুজুর রহমান লিটনস, কাউন্সিলর কাজী তালাত হোসেন কাউট, কাউন্সিলর এস এম খুরশিদ আহম্মেদ টোনা, কাউন্সিলর মো. সাইফুল ইসলাম, কাউন্সিলর কাজী আবুল কালাম আজাদ বিকু, কাউন্সিলর এস এম মোজাফফর রশিদী রেজা, কাউন্সিলর শেখ আব্দুর রাজ্জাক, কাউন্সিলর মনিরা আক্তার, কাউন্সিলর সাহিদা বেগম, কাউন্সিলর রহিমা আক্তার হেনা, কাউন্সিলর পারভীন আক্তার, কাউন্সিলর শেখ আমেনা হালিম বেবী, কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, কাউন্সিলর কাউন্সিলর কনিকা সাহা সহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ওয়ার্ডের প্রস্তাবিত কমিটিতে উচ্ছৃশঙ্খল অবাধ্যদের বাদ দিয়ে ত্যাগী নেতাকর্মীদের স্থান দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সভায় যোগীপোল ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে দলের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করায় সংগঠনের গঠনতন্ত্রের ৪৭ অনুচ্ছেদের ১১ ধারা মোতাবেক খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের রেজুলেশনের সুপারিশের আলোকে খানজাহান আলী থানা যুবলীগের আহবায়ক সাজ্জাদুর রহমান লিংকনকে সাময়িক বহিষ্কার করার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয় এবং চূড়ান্ত বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রিয় কমিটির কাছে সুপারিশ প্রেরণেরও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। একই সাথে দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে যারা বিদ্রোহী প্রার্থীদের সাথে থেকে নির্বাচনী ক্যাম্পেইন করবে তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *