দুর্গাপূজাকে ঘিরে নাশকতার পরিকল্পনা করছে বিএনপি-জামাত!

অনলাইন ডেস্কঃ

হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে ঘিরে গোপনে নাশকতার ছক কষছে বিএনপি-জামায়াত চক্র। এ উদ্দেশ্যে অনলাইন ও অফলাইন (মাঠে) দুই মাধ্যমেই আলাদা আলাদা টিম তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, দেশে কোনো উৎসব-পার্বণ শুরু হলেই নাশকতা সৃষ্টি করতে মরিয়া হয়ে উঠে বিএনপি ও জামায়তের একটি চক্র। সেই ধারবাহিকতায় এবার দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করেই নাশকতার ছক কষছে তারা।

সম্প্রতি ওই চক্রের সদস্যদের সঙ্গে এক রুদ্ধতার বৈঠক করেছেন লন্ডনে পলাতক বিএনপির দণ্ডপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। জানা গেছে, সেই বৈঠকে নাশকতাকারীদের যেকোনো মূল্যে দুর্গাপূজায় বিশৃঙ্খলা ঘটাতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এ লক্ষ্যে সাতদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নাশকতাকারীদের পুরোপুরি প্রস্তুত করা হয়েছে। আর তাদের পেছনে তারেক রহমানের নির্দেশনায় অর্থায়ন করেছেন আবদুল আউয়াল মিন্টু, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সিলভার সেলিম, মোরশেদ খানের পুত্র ফয়সাল মোরশেদ, তাবিথ আউয়াল, কেয়া কসমেটিকসের কর্ণধার আব্দুল খালেক পাঠানসহ এক ডজন বিএনপিপন্থী ব্যবসায়ী। পাশাপাশি এই ব্যবসায়ীরা লন্ডনে তারেকের চোখ ধাঁধানো জীবনযাপনেরও অর্থ যোগানদাতা।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, গোপন ওই বৈঠকে তারেক রহমান অর্থ যোগানদাতাদের নির্দেশনা দিয়েছেন যে ‘যত টাকা লাগে আপনারা লগ্নি করুন। ক্ষমতায় গেলে এর ফিডব্যাক আপনাদের দেয়া হবে। আর এটা কেবল কথার কথা নয়। কারণ, দুর্গাপূজায় অস্থিরতা সৃষ্টি করলে বহির্বিশ্বে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে। সেই সুযোগটাকে আমরা ইস্যু বানিয়ে আন্দোলনে নেমে সরকারের পতন ঘটাবো। আর এ স্বপ্নটার বাস্তব রূপদানে আপনাদেরকে ‘মরণ কামড়’ দিতে হবে। আশারাখি, আপনারা আমায় নিরাশ করবেন না। আরেকটা কথা, যাদেরকে এ কাজের জন্য প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে তাদেরকে ‘খুশি’ রাখুন। যা চায়, তাই দেন। সবশেষে মনে রাখবেন, সুযোগ কিন্তু বারবার আসে না। তাই বি রেডি।

এ পরিস্থিতিতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারা বলছেন, দুর্গাপূজাকে ঘিরে ভেতরে ভেতরে ভয়ংকর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপির মতো সাম্প্রদায়িক অপশক্তি ও তার দোসররা। মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে চেষ্টা করছে দেশকে অস্থিতিশীল করে তুলতে। তাই সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সদা সতর্ক থাকতে হবে, যাকে তাদের অসৎ উদ্দেশ্য কোনভাবেই সফল না হয়।

উল্লেখ্য, ১১ অক্টোবর ষষ্ঠী তিথিতে দেবীর আমন্ত্রণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। আর ১৫ অক্টোবর দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে দুর্গোৎসব। বর্তমানে সে উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বইছে উৎসবের আমেজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *